বিজ্ঞপ্তিঃ

করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় আতঙ্ক নয়, সচেতনতা জরুরি। প্রয়োজন ব্যাতিত জন সমাগম বর্জন করুন। হাত দিয়ে মুখমন্ডল স্পর্শ করা থেকে বিরত থাকুন। কিছুক্ষন পর পর হাত সাবান দিয়ে পরিষ্কার করুন। নিয়মিত পর্যাপ্ত পরিমান পানি পান করুন। জরুরী স্বাস্থ্য পরামর্শের জন্যে, স্বাস্থ অধিদপ্তর প্রদত্ত ১৬২৬৩ অথবা ৩৩৩ নম্বরে যোগাযোগ করুন।

এই মাত্র পাওয়া :
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি’র গাজীপুর সদর মেট্রো থানা যুবদলের আহবায়ক পদের জন্য ময়মনসিংহের নান্দাইলে পিকআপ মাইক্রো সংঘর্ষ।। বাবা ছেলের মৃত্যু আহত ১১ অবসরপ্রাপ্ত সশস্ত্রবাহিনী কল্যাণ সংস্থা(অসকস)নারায়ণগঞ্জ জেলা শাখার উদ্যোগে আলোচনা সভা-২০২০ গাজীপুরে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের ২০২০ আনন্দ ভ্রমণ সম্পন্ন । মুক্তাগাছায় ভ্রাম্যমাণ আদালতে ২ লক্ষ ১২,৫০০টাকা জরিমানা জনপ্রতিনিধির শীর্ষে মানবতার ফেরিওয়ালা মসিক মেয়র ইকরামুল হক টিটু নান্দাইলে ৫ মোটর সাইকেল চোরসসহ ৫ জুয়ারিকে জেলহাজতে প্রেরণ ময়মনসিংহে ১৮ নং ওয়ার্ড কৃষকলীগের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত ময়মনসিংহ ভালুকায় নিত্যপ্রয়োজনীয় বাজার মনিটরিং এ দুইজন ব্যবসায়ীকে ১০০০০ টাকা জরিমানা ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের চলতি ২০২০-২০২১ সালের অর্থবছরে বাজেট অনুমোদন
মধ্যম আয়ের মানুষদের জন্য পরিকল্পনা চাইলেন রাঙ্গা

মধ্যম আয়ের মানুষদের জন্য পরিকল্পনা চাইলেন রাঙ্গা

মধ্যম আয়ের মানুষদের জন্য পরিকল্পনা চাইলেন রাঙ্গা

করোনা পরিস্থিতিতে দেশের মধ্যম আয়ের মানুষদের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে পরিকল্পনা চাইলেন জাতীয় পার্টির মহাসচিব ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ মসিউর রহমান রাঙ্গা। শনিবার জাতীয় সংসদের সমাপনী বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। মসিউর রহমান রাঙ্গা বলেন, সারা পৃথিবীতে যখন করোনা পরিস্থিতি তৈরি হয়নি তখন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী অনুষ্ঠান বন্ধ করে দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী অনুষ্ঠান বন্ধ করে দিয়েছিলেন আমি মনে করি এটা একটা ভালো কাজ করেছেন। যদিও কষ্ট হয়েছে ওনার, আমরা মনে করি আমরাও কষ্ট পেয়েছি। তিনি বলেন, করোনার প্রাদুর্ভাবে যে কর্মসূচি নেয়ার দরকার ছিল আমাদের কোয়ারেন্টাইন যে প্রচেষ্টা যেটা আমরা জানতাম না, লকডাউন আমরা জানতাম না। এখন আমরা এগুলো জানি। মানুষ এগুলো বিশ্বাস করে এবং মানুষ এগুলো পালন করে। কেন? উনারা জানেন যে এই বিষয়টা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জানেন অ্যাকচুয়ালি কী হবে। রাঙ্গা বলেন, প্রধানমন্ত্রী যখন যেটা বলেছেন দেশের মানুষ কিন্তু কোনো বিরূপ প্রতিক্রিয়া কোথাও আমি দেখিনি। কোনো জায়গাতে আমি বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখি নাই যে আমরা বন্ধ থাকব, আমরা কী খাব? আমরা কোথায় যাব? কেন আমাদের করোনা হবে? আমাদের ডাক্তাররা কী করবে? তিনি বলেন, আজ ডাক্তাররা না থাকলে উনি ব্যবস্থা নেয়ার কথা বলে দিয়েছেন। যদি কোনো ডাক্তার কোনো রোগীর যদি চিকিৎসা না করে তবে তাকেও কৈফিয়ত দিতে হবে। ভিজিএফ, ভিজিডি, বয়স্কভাতা বিভিন্ন ধরনের ভাতার যে কর্মসূচি আছে এই কর্মসূচিগুলো না থাকলে আজকে দেশের মানুষ না খেয়ে মারা যেত। জাতীয় পার্টির মহাসচিব বলেন, আমি মনে করি সবগুলো উনি (প্রধানমন্ত্রী) সুচিন্তিত পরিকল্পনা নিয়েছেন। আল্লাহর রহমতে এবং প্রধানমন্ত্রীর প্রচেষ্টায় দেশের অনেক মানুষ কিন্তু আজকে বেঁচে গেছে। তিনি বলেন, আমি শুধু এইটুকু ওনাকে অনুরোধ করতে চাই যে গ্রামে-গঞ্জে আমরা দেখতে পাই যে মধ্যম আয়ের যে মানুষগুলো রয়েছে। যে মানুষগুলো একটা বাসের কন্ট্রাক্টর, একটা বাসের মালিক বা দুটি গাড়ি বা এ রকম যারা রিকশাচালক, সিএনজিচালক, যারা ঠেলাগাড়ি চালায় সবই কিন্তু বন্ধ হয়ে গেছে। এর মধ্যে হতদরিদ্র যারা আছে এরা কিন্তু কিছুটা হলেও পাচ্ছে। মধ্যম আয়ের যারা বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্যে আছে তারাও কিন্তু ভাতা পাচ্ছেন। খুব একটা সমস্যার মধ্যে নেই। বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ বলেন, মাঝখানে সমস্যার মধ্যে মধ্যম আয়ের কিছু রাজনৈতিক কর্মীও আমরা দেখি সব দলের সেটা বিএনপি বলেন, জাতীয় পার্টি বলেন, আওয়ামী লীগ বলেন। সবাই কিন্তু একটা হাহাকার অবস্থায় যে আমরা কী খাব? আমার এলাকা থেকে অনেক ছেলেপেলে আমার কাছে আসে যে আমরা কীভাবে চলব। সেটাই আমি জানি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সামনে যদি মধ্যম আয়ের মানুষগুলোকে বাঁচাতে যদি একটা পরিকল্পনা দিতেন। সেভাবে ব্যবস্থা গ্রহণ করতেন গ্রামে-গঞ্জে, তাহলে আমি মনে করি বাংলাদেশের একটি মানুষও ইনশাআল্লাহ না খেয়ে মরবে না।

ভালো লাগলে নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017 msitworld.info
Design BY msitworld